শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১

ব্যালে ড্যান্স, শাহরুখ ইজম...শাকিরা! সভ্যতার সূচক যখন শূন্যের কাছাকাছি

অনেক বছর পর আজ আবার মনে পড়লো ভারতীয় নায়িকা মমতা কুলকার্ণির কথা। মনে করিয়ে দিলেন আরেক ভারতীয়, বলিউড বাদশা খ্যাত শাহরুখ খান। অশি¬ল ও খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য খোদ্ ভারতেই সুখ্যাতি (!) কুঁড়ানো মমতা কয়েক বছর আগে বাংলাদেশে এসেছিলেন বাংলাদেশের বহুল আলোচিত আজিজ মুহাম্মদ ভাইয়ের দাওয়াতে। শরীরের যতটুকু সম্ভব, প্রদর্শন করে নাচানাচি করে কাড়ি কাড়ি টাকা নিয়ে ফিরে গেলেন তিনি। আর যাবার আগে আমাদেরকে দিয়ে গেলেন একটি চরম উপহার। লেনদেন জনিত অসন্তুষ্টিতে ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, অ্যল বাংলাদেশি আর বাস্টার্ড! পুরো জাতিকে জারজ সন্তান বলে গালি দিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করলেন তিনি। এবং আজ অবদি মমতা তার সেই কুটুক্তির জন্য ক্ষমা চাইবেন দূরে থাক, দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও শুনা যায় নি। 
বাঙালি সংস্কৃতির জন্য ভয়াবহ পেরেশান এদেশেরই কিছু লোক ভারতীয় সংস্কৃতির ঝমকালো একটি মহড়া মঞ্চস্থ করলো গত ১০ ডিসেম্বর। অন্তর শোবিজ নামক একটি সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেই (ভারতীয়) কালচারাল প্রোগ্রামের মধ্যমণি ছিলেন বলিউড কিং শাহরুখ খান। সাথে ছিলেন বলিউডের অ্যাকশন হিরো অর্জুন রামপাল, রাণী মুখার্জী, শেফালী জরিওয়ালা প্রমুখ। ২৫ হাজার দর্শক আর্মি ষ্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সরাসরি দেখলো অনুষ্ঠানটি। আর একটি বেসরকারি টেলিভিশন অনুষ্ঠানটিকে সরাসরি পৌছে দিল সারাদেশে। শাহরুখ নাচলেন, দর্শকদের নাচালেন এবং অনেকগুলো প্রশ্ন ভবিষ্যতের জন্য অমীমাংসিত রেখেই বিদায় নিলেন তিনি। 
দুই \
মূল পয়েন্টে যাবার আগে আনুসাঙ্গিক কিছু কথা বলে নেয়া দরকার। বাংলাদেশ একটি মডারেট মুসলিম কান্ট্রি। আমাদের নিজস্ব একটি সংস্কৃতি আছে। আমরা কোনো অবস্থাতেই চাইতে পারি না আমাদের সংস্কৃতি ভেসে যাক অপ-সংস্কৃতি বা ভারতীয় সংস্কৃতির জোয়ারে। কেউ যেনো আবার এই লেখায় ভারত বিদ্বেষের গন্ধ খুঁজে না বেড়ান। যদিও বন্ধুত্বের অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের মোটেও সুখকর নয়। তারপরও পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে ভারতের সাথে অবশ্যই আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। তার মানে এই নয় যে, নিজেদের আত্ম পরিচয়কে বুড়িগঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে বন্ধু (!) দেশের সংস্কৃতিকে আপন করে নেবো।
ইসলামের দৃষ্টিতে নাচগানের বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে কথা বলবেন আলেম সমাজ। নাচগানের সামাজিক প্রভাব নিয়ে বলবেন বুদ্ধিজীবিরা। শারীরিক ও পোশাকী শালীনতা নিয়ে বলবেন কালচারাল নেতৃবৃন্দ। আমরা সাধারণ জনগণ এদেশের নাচগানের যে সংস্কৃতি দেখে থাকি, তাতে শালীনতার দিকে কিছুটা হলেও খেয়াল রাখা হয়। অন্তত আমাদের এই দেশে ব্রা-প্যান্টি পরে নৃত্যের সংস্কৃতি এখনো চালু হয়নি। ১০ তারিখের কনসার্টে রাণী-শেফালীরা (প্রায়) সেই পোষাকেই নাচলেন। বোম্বের বাণিজ্যিক ছবির একটি ড্রেস রিহার্সেল যেনো হয়ে গেলো গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকার আর্মি ষ্টেডিয়ামে।
তিন\
এদেশের উত্তরবঙ্গের মানুষ শীতের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। এতটুকু শীতের কাপড়ের অভাবে মারাও যাচ্ছে কেউ কেউ। অথচ ২ ঘন্টার নাচানাচি-গালাগালির জন্য শাহরুখ খানকে দেয়া হলো কোটি কোটি টাকা! সঠিক ফিগার জানার সুযোগ নেই। পত্রিকার মারফত জানাগেছে শুধু এডভান্সই ছিলো ৮ কোটি টাকা। পুরো হাদিয়া কতো হতে পারে, আমার রাডারে ধরছে না। আপনারা আন্দাজ করে দেখতে পারেন। আয়োজক সংস্থা থেকে এসব বিষয়ে পরিস্কার করে কিছু বলা হচ্ছে না। টিকেটের মূল্য নিয়েই রয়েছে ধুম্রজাল। সবচে’ কম মূল্যের টিকেট ছিলো আড়াই হাজার টাকা আর সর্বোচ্চ ২৫ হাজার বলা হলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে সামনের সারির ভিআইপি আসনগুলোর টিকেটের মূল্যমান ছিল ২ লক্ষ টাকা করে! যে যত বড় ব্যবসায়ীই হোন, সৎ পথে কষ্ট করে উপার্জিত টাকায় শাহরুখের নূরানী চেহারাটা কাছে থেকে দেখবার জন্য ২ লক্ষ টাকায় টিকেট কিনবেন, এটা বিশ্বাস করা কঠিন। তাহলে দেশবাসীর জানতে ইচ্ছে করতেই পারে এদের আয়ের উৎস কী? কত টাকা আছে তাদের? দুদক কি তাদের ঠিকানা জানে? আর জেনেইবা কী লাভ? দুদক চেয়ারম্যানের ভাষায়-ই-তো দুদক এখন নখহীন বাঘ!! 
শাহরুখকে নিয়ে আসার আগে ফলাও করে প্রচার করা হলো-শাহরুখ এসে আমাদের সুন্দরবনের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থক প্রকাশ করবেন। সুন্দরবনকে ভোট দেয়ার জন্য তিনি আমাদের পক্ষে কথা বলবেন। আন্তর্জাতিক বিশ্বকে আহ্বান জানাবেন সুন্দরবনকে ভোট দিতে। যে কোনো কারণেই হোক শাহরুখ সেটা বলেননি বা তাকে দিয়ে বলানো যায়নি। তাহলে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলে তাকে নিয়ে আসার সার্থকতা কী? ভেবে দেখা দরকার না? 
চার \ 
অনুষ্ঠানের উপস্থাপক দেবাশিষ বিশ্বাস ঘোষণা করলেন, বাংলাদেশে অনেক ইজম, অনেক ধর্ম রয়েছে। আজ নতুন একটি ধর্মের আবির্ভাব হতে যাচ্ছে। আর সেটা হচ্ছে শাহরুখ ইজম বা শাহরুখ ধর্ম। উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক উন্মাতাল ছিলো বলে কিছুই বুঝতে পারলো না। অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে বসা দেশের বাঘা বাঘা অতি পরিচিত মুখগুলোতে কোনো ভাবান্তর লক্ষ্য করা গেলো না! আত্কে উঠলো দেশের সচেতন বিবেক! বলে কী? নতুন ধর্ম! এদেশের মুসলমানরা ইসলামেই সন্তুষ্ট। হিন্দুরা সনাতনে। বাকিরা যার যার ধর্মে। তাহলে নতুন ধর্ম মানে কী? কেনো এমন ঘোষণা! শাহরুখের গুরুত্ব বোঝানো? অথবা মজা করা! ফাজলেমীরও তো একটা সীমা থাকা দরকার। অবশ্য শাহরুখ খান নতুন ধর্ম নিয়ে কিছু না বললেও মজা করার ছলে এককোটি মানুষকে সরাসরি শালা’ই বলে গেলেন। দর্শকদের মধ্য হতে দু’জনকে ডেকে নিয়ে গেলেন মঞ্চে। অনেক মজা করলেন তাদের নিয়ে। এমনকি মজা করে একজনের নিতম্বে কষে লাথিও বসালেন। লাখি খেয়ে হেসে লুটেপুটে পড়লো সে। মনে হলো শাহরুখ খানের লাথি খাওয়ার চে’ সৌভাগ্যের আর কিছু নেই।
এক পর্যায়ে কিং খান দর্শকদের বললেন, আমাকে একটি বাংলাদেশি গালি শিখিয়ে দিন তো? তাকে জানানো হলো ‘শালা’। একটি বাংলাদেশি গালি। তারপর তিনি মঞ্চের দুজনকে কথায় কথায় (হয়তো মজা করেই) শালা তো বললেনই, এক পর্যায়ে বলে উঠলেন, ইহাকি সব সালা ঢাকা কে বাকী সালোউ তো হামারে তরফ সে মোবারকবাদ পৌছা দেনা। শাহরুখ খানের বরকতি মুখ থেকে শালা শব্দ শুনে আনন্দে চিৎকার করে উঠলো উপস্থিত ২৫ হাজার দর্শক। আর টেলিভিশন সেটের সামনে বসা দেশের বিবেকবান মানুষ হয়ে গেলো স্তম্ভিত! একি বললেন শাহরুখ? কেন বারবার এসে এরা আমাদের গালি দিয়ে যায়? যেহেতু গালিটা তিনি গালি হিসেবেই সংগ্রহ করলেন, তার মানে কি এই না যে, গালিটা তিনি গালি বুঝেই দিলেন? কিন্তু কেন?
অতি আধুনিক কেউ হয়তো বলবেন, বেচারা হেসে হেসে মজা করার জন্য শালা বলেছে। এটাকে এতো সিরিয়াসলি নেবার দরকার কি? আমি বলি শাহরুখের মতো মানুষের ঝুড়িতে কি মজা করার জন্য শব্দের এতই আকাল পড়ে গিয়েছিলো যে, শালা শব্দটিই ব্যবহার করতে হলো? কথা তো আরো আছে। তিনি তো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ষ্টেজ শো করেন। অন্য কোথাও তো দেখা যায় নি মজা করে সেই জাতিকে গালি দিচ্ছেন? আমেরিকায় কোনো কনসার্টে গিয়ে শাহরুখ তো মজা করে বলেন না, ফাকিংগাই বা মাদার ফাকার! তাহলে শুধু বাংলাদেশের বেলাতেই কেন এই দৃষ্টিভঙ্গি? 
পাঁচ \
ষ্টেজে ডেকে নিয়ে গেলেন আরেক হবু দম্পতিকে। যুবতীর নাম আলিফ লায়লা। তার পরিচয় তিনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাতনী লাগেন। তিনি ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের মামাতো বোনের মেয়ে। শাহরুখ খান বারবার জড়িয়ে ধরলেন তাকে। চুমো খেলেন। অবশ্য লায়লাকে মোটেও বিব্রত মনে হলো না! খুশিই হলেন তিনি। হাজার হোক, শাহরুখ খানের চুমু বলে কথা! আর অবস্থা দেখে মনে হলো যেনো বোম্বের বাণিজ্যিক ছবির রোমান্টিক কোনো দৃশ্যের স্যুটিং চলছে। 
এটাই কি আমাদের সংস্কৃতি? মা বোন স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো মেয়েকে আমাদের দেশে জড়িয়ে ধরার, চুমো খাওয়ার নষ্ট সংস্কৃতি তো চালু নেই। শাহরুখদের দেশে আছে। আর সেটাই তিনি চালু করে গেলেন ঢাকায়। কেউ কি কিছু বলবেন?
বলতে না চাইলে বলার দরকার নেই। অপেক্ষা করুন, সামনে আরো বেশি বলবার সুযোগ আসতে পারে। যেমনটি শোনা যাচ্ছে, তাতে আয়োজকদের পরবর্তী টার্গেট শাকিরা। গত ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল মাতানো ওয়াকা ওয়াকা খ্যাত কলম্বিয়ান ডান্সার শাকিরাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার জোর পায়তারা চলছে বলে জানা গেছে। সবকিছু ঠিকটাক থাকলে মার্চেই আসছেন শাকিরা। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে রাণী মুখার্জী, শেফালীরা যে পোশাকে নাচলেন, শাকিরাকে যদি আনা যায়, তবে তিনি হয়তো প্রথম জন্মদিনের পোশাকেই নাচবেন, এই আশা (!) করাই যায়।
আগামী ২৫ জানুয়ারি লায়লা-মাহী উদ্দিনে’র বিয়ে। কিন্তু বলিউড বাদশা আগেই তাদের কাছে অনেকগুলো সন্তানের অনুরোধ জানিয়ে রাখলেন। খেলাধুলার জগতের খোঁজ-খবর যারা রাখেন, তাদের জানা আছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ বা আইপিএল ক্রিকেটে কলকাতার নাইট রাইডার্স দলটির মালিক শাহরুখ খান। সেই সুবাধে তিনি বললেন, 
“শাদিকে বাদ খোশ রহনা আওর বহুত সারে বাচ্চে পয়দা র্কনা, তা’কে ও’সব হামারে নাইট রাইডার্সকে লিয়ে খেল সেকে।” 
দেশবাসী ভাবলো বাঙালি মেয়ে হিসেবে এটা শুনে লায়লা বুঝি লজ্জা পাবেন। কিন্তু সকল ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে তিনি হাসতে হাসতে বললেন, যদি মেয়ে হয়...?
শাহরুখ তো আর দমে যাওয়া আদমী না। তিনি বললেন, 
“চলে গা। ওয়সে-ভি হামারে টিম তো লাড়কিউ কি তরেহ খেল রহে হে।” (মন্তব্য নিঃস্পয়োজন!)
ছয় \
প্রাসঙ্গিকভাবে স্মরণ করা যেতে পারে গত ২৭ নভেম্বর ইসলামী ফাউন্ডেশনের ইমাম সম্মেলনে ঘটে যাওয়া তুগলকি কান্ডটির কথা। আমেরিকার মেয়েরা ইমামদের সামনেই মেতে উঠলো ব্যালে ড্যান্সে। ইমামদের কেউ কেউ বেরিয়ে এলেন। কেউ বসে থাকলেন মাথা নিচু করে। দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠলো। এর হোতা ফাউন্ডেশনের ডিজি শামীম আফজালের অপসারণ ও শাস্তি দাবি করা হলো। 
ইসলামী ফাউন্ডেশনের বর্তমান ডিজি ভদ্রলোকের ইসলামী জ্ঞানের দৌড় কতটুকু সেটা জানা না গেলেও নাচগানের ইলিম যে তার বেশ ভালই আছে, সেটা তিনি প্রমাণ করলেন পত্রিকায় বিবৃতি দেয়ার মাধ্যমে। বললেন, ফাউন্ডেশন সম্বন্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে। অই দিন ফাউন্ডেশনে আদৌ ব্যালে ড্যান্স হয়নি। যা হয়েছে তার নাম স্যুটিং ড্যান্স। তার কথায় মনে হয় স্যুয়িং ড্যান্স সুন্নত যেনো! 
ইসলামী ফাউন্ডেশন এদেশের নাম্বার ওয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান।  অথচ, নিকট অতীত ও সা¤প্রতিক সময়ে ফাউন্ডেশনের  বিভিন্ন কর্মকান্ড জাতিকে চরম বিভ্রান্তিতে ফেলে দিয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রতিষ্টান বায়তুল মুকাররাম জাতীয় মসজিদ। পরিস্কার মাজারপন্থি এক লোককে বসানো হয়েছে সেখানকার খতিবের আসনে।  তিনিও যথারীতি তার যোগ্যতার সাক্ষর রেখে চলেছেন। ঈদের নামাজ পড়াচ্ছেন যেমন খুশি। কুরবানীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রীট আবেদনের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জবাব দিচ্ছেন; আলেম-উলামাদের কাছ থেকে তো ইসমাঈল (আ.)কে কুরবানীর আদেশের কথাই তো শুনে আসছি। এখন যেহেতু এ নিয়ে কথা উঠেছে, তাই ব্যাপারটি খতিয়ে দেখবো। বায়তুল মুকাররমের খতিব হয়ে বসে আছেন অথচ তিনি ইসলামের চিরন্তর এই বিষয়টি নিয়ে সন্দিহান! তিনি খতিয়ে দেখবেন!! কী আর বলা যায়।
এক সময়ের নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে ইসলাম শব্দ বাদ দিয়ে নজরুল কলেজ করা হয়েছিলো। সলিমুল¬াহ মুসলিম হল’র নাম থেকে মুসলিম শব্দটি ছেটে ফেলা হয়েছিলো। সেই ধারায় কখনো যদি ইসলামী ফাউন্ডেশনকে যদি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন করে ফেলা হয়, অবাক হবার কিছু থাকবে না।  আজব এক দেশে বাস করি আমরা। ইসলামী ফাউন্ডেশনের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নৃত্য হয়, মসজিদের আঙিনায় কাঙ্গালিনী সুফিয়ার গানের অনুষ্ঠান হয়, শাহরুখ খানের মতো ড্যান্সার নায়কের জন্য নিরাপত্তার অভাব না হলেও নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ডাঃ জাকির নায়েকের মতো ওয়ার্ল্ড ফেমাস ইসলামী স্কলারকে বাংলাদেশে প্রোগ্রামের অনুমতি দেয়া হয় না।
আগে আমাদের বুঝে না এলেও, ধর্ম নিরাপেক্ষতা মানে যে ধর্মহীনতা নয়, এটা এখন আস্তে আস্তে বুঝে আসছে!

1 টি মন্তব্য: