একাত্তরের ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছিলো। ঘোষণাটি কে দিয়েছিলেন, সেটা আমি জানিনা! তখন আমার জন্ম হয়নি। যাদের হয়েছিলো, যারা যুদ্ধ করেছেন, তারা সঠিক করে বলতে পারছেন না কিছু! কেউ বলেন অমুক তো কেউ বলেন তমুক! জানিনা কে সত্য বলছেন আর...
কাকে মিথ্যাবাদী বলি! আমরা কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে মিথ্যাবাদী বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করতে চাই না।
অবশ্য উচ্চ আদালত থেকে এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। কেউ গ্রহণ করছেন কেউ আবার প্রকাশ্যেই বিরোধিতা করছেন। আমরা সাধারণ মানুষ পরেছি মহা মুশকিলে। আমরা আমাদের ছোটভাই/বোনদের জানাতে পারছিনা কিছু! তারা যখন জানতে চাইছে, আমরা তখন জবাব দিতে পারছিনা। জবাব জানলে তো!
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও আমরা ঐক্যমত্তে পৌঁছাতে পারিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটি কে দিয়েছিলেন? ৫ বছর পর পর ঘোষক পরিবর্তন হন! পৃ্থিবীতে সম্ভবত আমরাই একমাত্র জাতি, যারা ৫ বছর পর পর ইতিহাস তৈরি করি!
আশ্চর্য আমাদের বিবেক! কে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেটা নিয়ে এতো পেরেশানি, কিন্তু কেনো দিয়েছিলেন, যে জন্যে দিয়েছিলেন, সেই উদ্দেশ্যটি কি সফল হয়েছে, দেশ কি সার্বিক অর্থে আত্মনির্ভর হতে পেরেছে, না পারলে কেনো পারেনি, কে দায়ী, গলদ কোথায়, শোধরানোর উপায় কি...এগুলো নিয়ে মোটেও ভাবিনা! আবার আমরা স্বপ্ন দেখি এগিয়ে যাবার!!
আর তাই আমরা ভিন্ন পথ ধরতে পারি। আমরা যারা একাত্তর পরবর্তি প্রজন্ম, আমরা ঘোষক বিতর্কে না গিয়ে অন্য বিতর্কে জড়াতে পারি। সেটা হচ্ছে শোষক বিতর্ক। স্বাধীনতার পর থেকেই তো আমরা আম জনতা শোষিত হয়ে আসছি। যাদেরকেই আমরা বিশ্বাস করেছি, ক্ষমতা দিয়েছি, আমাদের বিশ্বাসের পিঠে ছুরি বসাতে তারা কেউই ভুল করেন নি!
আমরা আমাদের বিশ্বাসের আঙুলগুলো তুলে দিয়েছি তাদের মুঠোয়, তারা মুড়িয়ে দিয়েছেন!
আমরা আমাদের আস্থার হাতটি বাড়িয়ে দিয়েছি তাদের দিকে, তারা হাতটি আমাদের গুড়িয়ে দিয়েছেন!
আমরা আমাদের জীবনের ফায়সালা করবার দায়িত্ব দিয়েছি তাদের কাছে, তারা আমাদের নিয়ে দাবা খেলেছেন! তাদের চৌকস চালে আমরা এক একটি গুটি হারিয়ে গেছি পৃ্থিবী নামের বোর্ড থেকে!
আর কতো? আমরা কেনো ঘুমিয়েই কাটাবো সময়। আসুন কিছু করি। নেতারা করুন ঘোষক বিতর্ক। আমরা করি শোষক বিতর্ক। কে আমাদের কতো বেশি শোষন করার কৃ্তিত্ব দেখালেন, সেটা জরিপ করতে শুরু করি।
এতে লাভ কী?
আমাদের কোনো লাভ হোক আর না হোক, আগামী প্রজন্মের অনেক লাভ হবে। তারা আমাদের মতো মানুষ চিনতে ভুল করবেনা। ধোকা খাবেনা।
কাজটি আমরা করতে পারি। মন্দ হবেনা আশাকরি ।
কাকে মিথ্যাবাদী বলি! আমরা কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে মিথ্যাবাদী বলে মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করতে চাই না।
অবশ্য উচ্চ আদালত থেকে এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। কেউ গ্রহণ করছেন কেউ আবার প্রকাশ্যেই বিরোধিতা করছেন। আমরা সাধারণ মানুষ পরেছি মহা মুশকিলে। আমরা আমাদের ছোটভাই/বোনদের জানাতে পারছিনা কিছু! তারা যখন জানতে চাইছে, আমরা তখন জবাব দিতে পারছিনা। জবাব জানলে তো!
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও আমরা ঐক্যমত্তে পৌঁছাতে পারিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটি কে দিয়েছিলেন? ৫ বছর পর পর ঘোষক পরিবর্তন হন! পৃ্থিবীতে সম্ভবত আমরাই একমাত্র জাতি, যারা ৫ বছর পর পর ইতিহাস তৈরি করি!
আশ্চর্য আমাদের বিবেক! কে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেটা নিয়ে এতো পেরেশানি, কিন্তু কেনো দিয়েছিলেন, যে জন্যে দিয়েছিলেন, সেই উদ্দেশ্যটি কি সফল হয়েছে, দেশ কি সার্বিক অর্থে আত্মনির্ভর হতে পেরেছে, না পারলে কেনো পারেনি, কে দায়ী, গলদ কোথায়, শোধরানোর উপায় কি...এগুলো নিয়ে মোটেও ভাবিনা! আবার আমরা স্বপ্ন দেখি এগিয়ে যাবার!!
আর তাই আমরা ভিন্ন পথ ধরতে পারি। আমরা যারা একাত্তর পরবর্তি প্রজন্ম, আমরা ঘোষক বিতর্কে না গিয়ে অন্য বিতর্কে জড়াতে পারি। সেটা হচ্ছে শোষক বিতর্ক। স্বাধীনতার পর থেকেই তো আমরা আম জনতা শোষিত হয়ে আসছি। যাদেরকেই আমরা বিশ্বাস করেছি, ক্ষমতা দিয়েছি, আমাদের বিশ্বাসের পিঠে ছুরি বসাতে তারা কেউই ভুল করেন নি!
আমরা আমাদের বিশ্বাসের আঙুলগুলো তুলে দিয়েছি তাদের মুঠোয়, তারা মুড়িয়ে দিয়েছেন!
আমরা আমাদের আস্থার হাতটি বাড়িয়ে দিয়েছি তাদের দিকে, তারা হাতটি আমাদের গুড়িয়ে দিয়েছেন!
আমরা আমাদের জীবনের ফায়সালা করবার দায়িত্ব দিয়েছি তাদের কাছে, তারা আমাদের নিয়ে দাবা খেলেছেন! তাদের চৌকস চালে আমরা এক একটি গুটি হারিয়ে গেছি পৃ্থিবী নামের বোর্ড থেকে!
আর কতো? আমরা কেনো ঘুমিয়েই কাটাবো সময়। আসুন কিছু করি। নেতারা করুন ঘোষক বিতর্ক। আমরা করি শোষক বিতর্ক। কে আমাদের কতো বেশি শোষন করার কৃ্তিত্ব দেখালেন, সেটা জরিপ করতে শুরু করি।
এতে লাভ কী?
আমাদের কোনো লাভ হোক আর না হোক, আগামী প্রজন্মের অনেক লাভ হবে। তারা আমাদের মতো মানুষ চিনতে ভুল করবেনা। ধোকা খাবেনা।
কাজটি আমরা করতে পারি। মন্দ হবেনা আশাকরি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন